HRC NEWS BANGLA :- Banga BJP লোকসভা ভোটের আগে সর্বভারতীয় বিজেপিতে বড় রদবদল করলেন জেপি নাড্ডা-অমিত শাহরা। সেই রদবদলে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদ খোয়ালেন দিলীপ ঘোষ । দিলীপবাবু এখন শুধু মেদিনীপুরের সাংসদ।এর আগে মুকুল রায়কে সর্বভারতীয় সহ সভাপতি করেছিলেন অমিত শাহ। মুকুলকে দায়িত্ব বা মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল, দিলীপবাবু গত দু’বছরে এই পদে থেকে সেই মর্যাদা বা দায়িত্ব পাননি।এমনিতেই সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ আলঙ্কারিক। সংগঠনের বিষয়আশয়ে সাধারণত সভাপতির পর সাধারণ সম্পাদকরাই দায়িত্ব পান। সহ সভাপতিদের বিশেষ সাংগঠনিক দায়িত্ব থাকে না। বিজেপিতে গত তিন দশক ধরে দেখা গিয়েছে, রাজ্য স্তরের সমীকরণ ঠিক রাখতে বা কোনও প্রবীণ নেতাকে মর্যাদা দিতে সহ সভাপতি করা হয়েছে। বহু সময়েই তা হয়েছে, ওই নেতাকে রাজ্য সংগঠন থেকে বের করে আনতে।

যেমন এবার রদবদলে ছত্তীসগড়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে। একই ভাবে সহ সভাপতি করা হয়েছে রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়াকে। এর থেকে অনেকেই মনে করছেন, রাজস্থান ও ছত্তীসগড়ে আসন্ন বিধানসভা ভোটে তাঁদের আর মুখ্যমন্ত্রী পদ প্রার্থী করবেন না মোদী-শাহরা। পরিবর্তে নতুন মুখ আনা হবে।
Banga BJP নাম নেই দিলীপ ঘোষের, বিরাট রদবদল বঙ্গে !
Scholarship নয়া পরিকল্পনা পড়ুয়াদের স্কলারশিপ নিয়ে রাজ্যে সরকারের!
দিলীপ ঘোষকে সাংগঠনিক পদ থেকে সরানো হলেও বিজেপির রাজ্য সম্পাদক পদে রেখে দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরাকে। এই রদবদলের ব্যাপারে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘হতে পারে যাঁরা লোকসভা ভোটে লড়বেন তাঁদের সাংগঠনিক দায়িত্বে রাখা হল না।’ দিলীপের এই যুক্তি সঠিক হলে এবার লোকসভা ভোটে অনুপম হাজরা টিকিট না পাওয়ার কথা।বিজেপির এক প্রবীণ নেতা এদিন বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। এখন দেখা যাক, তাতে দিলীপের কপালে শিঁকে ছেড়ে কিনা। তা ছাড়া দিলীপ ঘোষকে রাজ্য সংগঠনে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয় কিনা তাও দেখতে হবে।
গত লোকসভা ভোটের সময়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর মেয়াদেই বাংলা থেকে ১৮টি আসন জিতেছিল বিজেপি। আবার তাঁর সভাপতিত্বেই বাংলায় ৩টি থেকে ৭৭টি আসনে পৌঁছেছিল গেরুয়া দল। তবে এখন রাজ্যে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী তথা শুভেন্দু-সুকান্তদের সঙ্গে তাঁর যে ভাল তালমিল নেই দৃশ্যত স্পষ্ট। এহেন দিলীপকে এবার মেদিনীপুর আসন থেকে প্রার্থী করা হবে কিনা সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। তাঁদের মতে, দিলীপবাবুকে অন্য আসন থেকে প্রার্থী করলেও আশ্চর্যের কিছু থাকবে না।
