প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক Thakur Panchanan Varma–এর পূর্ণাবয়ব মূর্তি সল্টলেকে স্থাপনের দাবি আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ক্ষত্রিয় সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে দীর্ঘদিনের মুলতুবি অনুমোদন দ্রুত দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

The Cooch Behar Kshatriya Society জানিয়েছে, কলকাতায় ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার মূর্তি স্থাপনের জন্য তারা পূর্বে দু’বার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেশ করেছিল। তবে এতদিনেও সেই প্রস্তাবে সরকারি অনুমোদন মেলেনি।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সল্টলেকের কুচবিহার ভবনের নিকটবর্তী দ্বীপ এলাকায় মূর্তি স্থাপনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। প্রতিনিধিরা স্পষ্ট করে জানান, মূর্তি নির্মাণ ও স্থাপনের সম্পূর্ণ ব্যয় সংগঠন নিজস্ব তহবিল থেকেই বহন করবে, ফলে রাজ্য সরকারের উপর কোনও আর্থিক চাপ পড়বে না।

দাবি পুনরায় উত্থাপন করতে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে Kolkata Press Club–এ এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সাংবাদিক বৈঠক আয়োজন করে দ্য কুচবিহার ক্ষত্রিয় সোসাইটি ও Calcutta Kshatriya Samiti

উপস্থিত ছিলেন দ্য কুচবিহার ক্ষত্রিয় সোসাইটির সভানেত্রী শ্রীমতী অন্নাময়ী অধিকারী, সম্পাদক শুভদীপ সরকার এবং ক্যালকাটা ক্ষত্রিয় সমিতির সম্পাদক শ্রী ধীরেন্দ্রনাথ বর্মা সহ দুই সংগঠনের অন্যান্য পদাধিকারী ও সদস্যবৃন্দ।

সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা উত্তর-পূর্ব ভারতের সমাজসংস্কার ও জনজাগরণে ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তাঁদের মতে, রাজ্যের রাজধানীতে তাঁর মূর্তি স্থাপিত হলে একদিকে যেমন তাঁর অবদান যথাযথ মর্যাদা পাবে, অন্যদিকে আগামী প্রজন্ম তাঁর ঐক্য, সামাজিক শৃঙ্খলা ও সংস্কারের আদর্শ সম্পর্কে অবগত হতে পারবে।

শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ রাজ্য সরকারের কাছে দ্রুত অনুমতি প্রদানের আবেদন পুনর্ব্যক্ত করেন। তাঁদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তা বাংলার সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার সমতুল্য হবে।

সল্টলেকে ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার মূর্তি স্থাপনের দাবিতে ক্ষত্রিয় সংগঠনগুলির পুনরায় সরবতা
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *