Himachal pradesh প্রবল বর্ষণে বিধ্বস্ত হিমাচল, ঘোষণা করা হবে 'রাজ্যস্তরের বিপর্যয়' হিসেবে

HRC NEWS BANGLA :- Himachal pradesh হিমাচল প্রদেশে বৃষ্টির তাণ্ডবে ধ্বংসলীলা চলছে। ভারী বর্ষণের জেরে হড়পা বাণে ধূলিসাত্‍ হয়ে গিয়েছে বহু ঘর-বাড়ি, মন্দির-সহ নানা সৌধ। ভেঙে পড়েছে সেতু, রাস্তা-ঘাট। বহু প্রাণহানি ঘটেছে। তারপরও কেন্দ্র নীরব। হিমাচলের বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের কাছে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার দাবি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু।

হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হিমাচলের পরিস্থিতি ভয়াবহ। এখনই জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করা জরুরি। কিন্তু কেন্দ্র এখনও হিমাচলে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করেনি। এই মর্মে শুক্রবার কেন্দ্রের কাছে অতি ভারী বর্ষণের জেরে রাজ্যে যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাতেক জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করার দাবি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু।

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের কাছে এই প্রস্তাবনা রেখে বলেন, রাজ্য এখন কেন্দ্রের কাছে জাতীয় বিপর্যয়ের দাবিতে কী প্রতিক্রিয়া, তা জানার অপেক্ষায় রয়েছে। রবিবার থেকে পাহাড়ি এই রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। সিমলা-সহ বেশ কয়েকটি জেলায় ভূমিধসের ফলে বহু স্থাপত্য ভেঙে পড়েছে। বহু প্রাণহানি ঘটেছে।

Himachal pradesh প্রবল বর্ষণে বিধ্বস্ত হিমাচল, ঘোষণা করা হবে ‘রাজ্যস্তরের বিপর্যয়’ হিসেবে

Arvind Kejriwal চাকরি হারানো শিক্ষকের পাশে কেজরিওয়াল!

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উদ্ধার অভিযান পুরোদমে চলছে। রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর যথাযথ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের কারণে ক্ষতির মূল্যায়ন করা হচ্ছে রাজ্যে। আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকা। এই অবস্থায় কেন্দ্রের কাছ থেকে সহায়তা দরকার বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সামার হিলে একটি শিব মন্দিরের ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও একটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর ফলে বৃষ্টিবিধ্বস্ত হিমাচল প্রদেশ মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫। এর মধ্যে ২২ জন মারা গিয়েছেন শুধুমাত্র সিমলায় তিনটি বড় ভূমিধসে। সামার হিলের শিবমন্দির, ফাগলি ও কৃষ্ণনগরের ভূমিধসই কেড়েছে ২২ জনের প্রাণ।

মন্দিরের ধ্বংসস্তূপে এখনও ছয়জনের চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২৪ জুন বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে হিমাচল প্রদেশ বৃষ্টি সম্পর্কিত ঘটনায় ২১৭ জন মারা গিয়েছে। ১১,৩০১টি বাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যে মোট ৫০৬টি রাস্তা এখনও বন্ধ রয়েছে। ৪০৮টি ট্রান্সফর্মার এবং ১৪৯টি জল সরবরাহ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত তিনদিনে কাংড়া জেলার বন্যা কবলিত এলাকা থেকে ২০৭৪ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সুখবিন্দর সিং সুখু এর আগে বলেন, এই বর্ষায় ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিকাঠামো পুনর্নির্মাণ করতে রাজ্যের এক বছর সময় লাগবে। রাজ্য সরকার বৃহস্পতিবার এমএলএ স্থানীয় এলাকা উন্নয়ন তহবিলের ব্যয়ের শর্ত শিথিল করেছে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *