মহালয়া উপলক্ষ্যে সুরনন্দন ভারতীর বিশেষ অনুষ্ঠান

মহালয়া উপলক্ষ্যে সুরনন্দন ভারতী এক অভিনব অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইন্দুমতি সভাগৃহে। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে মহালয়ার স্তোত্র, অনুষ্ঠানের লিপি, সঙ্গীত, তার স্বরলিপি এবং যে শিল্পী গেয়েছেন তার পরিচিতি দিয়ে সুরনন্দন ভারতী বই প্রকাশ করেছে ”মহালয়ার ভোরে”। সম্পাদনা করেছেন শ্রী অনাদি মোসেল ও ঋতীশ রঞ্জন চক্রবর্তী। সে বইয়ে স্বরলিপি করেছেন ত্রিপুরার শিল্পী সুদীপ্ত শেখর মিশ্র ও কলকাতার শিল্পী পার্থ সরকার। শিল্পীদের জীবনী লিখেছেন জয়ন্ত রায়। অনুলিখন ও সংকলন করেছেন নওগাঁ আসামের সঙ্গীতশিল্পী রূপালী গুহ।

স্তোত্র পাঠ দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন দেবাশিস চক্রবর্তী। তাঁর স্তোত্র পাঠ শ্রোতাদের আপ্লুত করে। মহিষাসুর মর্দিনীর বিভিন্ন গানে অংশগ্রহণ করেন সুস্মিতা চক্রবর্তী, তাপসী সরকার, সৌমি চক্রবর্তী, যুধাজিৎ রায়, তানভ ব্যানার্জী, শুভদীপ সরকার ও পার্থ সরকার। ইয়া চণ্ডী-র গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্যনাদ স্কুল অফ পারফর্মিং আর্টস-এর ছাত্রীবৃন্দ। নৃত্য পরিচালনায় সৌমিতা রায়।

বিভিন্ন সঙ্গীতে অংশগ্রহণ করেন যাদবপুর অনিল পালিত মিউজিক একাডেমির ছাত্রছাত্রী বৃন্দ। সামগ্রিক পরিচালনায় ছিলেন পন্ডিত শিবনাথ ভট্টাচার্য্য। সুপ্তি রায়, শিল্পী নিভা ব্যানার্জী ও সহশিল্পীবৃন্দের সঙ্গীত পরিবেশনা মনোমুগ্ধকর। কবিতা কোলাজ পরিবেশন করেন ললিত নন্দনার ছাত্রছাত্রীবৃন্দ। কবিতা পরিবেশনা ও পরিচালনায় ছিলেন পূরবী নাথ। আগমনী গানে সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন বাঁশদ্রোণী প্রগ্রেসিভ ফাউন্ডেশনের বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন শিল্পীরা। পরিচালনায় ছিলেন সঙ্গীতে রূপা সাহা ও নৃত্যে অর্চনা ঘোষ। পরিকল্পনায় ছিলেন সম্পাদিকা চন্দ্রানী রায়। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন স্বরধ্বনির ছাত্রী মধুমিতা চৌধুরী।

তবলা সহযোগিতায় ছিলেন পন্ডিত শিবনাথ ভট্টাচার্য্য, সিতাংশু চ্যাটার্জী, সুকান্ত সরকার ও দীপমালা ভট্টাচার্য্য। কীবোর্ড ও পারকাসনে ছিলেন শান্তি বিনোদ দাস ও প্রদীপ দাস।
সামগ্রিক সঞ্চালনায় ছিলেন সৈকত নন্দী ও দেবাশীষ সরকার।

 

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *