ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসারে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে সরস্বতী ভাণ্ডার -এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো “সরস্বতী সম্মান” প্রদান অনুষ্ঠান, যেখানে শিল্প, শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত সমাজের কিছু কৃতি মানুষকে সম্মানিত করা হয়।
অনুষ্ঠানটির কান্ডারী তথা সরস্বতী ভাণ্ডার-এর প্রতিষ্ঠাতা ঝর্ণা ভট্টাচার্য্য জানান,
“যেমনভাবে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে বহু মানুষকে আর্থিক সহায়তা করছেন, তেমনই আমাদের সমাজে দরকার সরস্বতীর— আমাদের কণ্ঠে, মননে ও চিন্তনে। কারণ, আজকের দিনে ভাষা সন্ত্রাস ক্রমবর্ধমান। এর ফলে মনের রক্তক্ষরণ, উশৃঙ্খলতা ও অবজ্ঞা বেড়ে চলেছে। আমরা চাই না এই যুগটি ইতিহাসে ‘ভাষা সন্ত্রাসের যুগ’ হিসেবে থেকে যাক। তাই রাজনীতি, প্রশাসন, সংবাদ মাধ্যমসহ সমাজের প্রতিটি মানুষকে ভাষা ও ভাবনার দিক থেকে সচেতন হতে হবে।”
বিগত কয়েক বছর ধরে সরস্বতী ভাণ্ডার ভাষা, শিল্প ও শিক্ষার মাধ্যমে একটি সুস্থ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায়, ৩রা আগস্ট রবিবার, কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত হলো সরস্বতী সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান, যেখানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুণীজনদের সম্মানিত করা হয়, যাঁরা বাংলাভাষা ও সংস্কৃতির জয়গানে নিরন্তর জল সিঞ্চন করছেন।
এই মহতী উদ্যোগে পাশে দাঁড়িয়েছে লায়ন্স ক্লাব অফ কলকাতা ম্যাগনেটস ও রোটারি ক্লাব অফ কসবা-র মতো প্রখ্যাত সংগঠন, যাঁরা ঝর্ণা ভট্টাচার্য্যের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার প্রয়াসকে কুর্নিশ জানিয়ে সক্রিয়ভাবে সমর্থন জানান।
এই সম্মাননা শুধু পুরস্কার নয়, এটি এক বার্তা—ভাষা হোক ঐক্যের, ভাবনার ও শান্তির বাহক।

