
একটি প্রেরণাদায়ী এবং সমাজ-সংযুক্ত পদক্ষেপ হিসেবে “ব্যাক টু স্কুল” ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পটি নতুন মাত্রা পেল কলকাতার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান Athenæum Institution-এ। HELLO Kolkata-এর সম্পাদক-পরিচালক এবং সমাজিক প্রভাবশালী আশীষ বসাকের উদ্যোগে সূচিত এই প্রকল্প, যা “UN-LOCK COVID-19” সময়কালে শুরু হয়েছিল, এবার বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে নতুন করে প্রাণ পেল।
১৩০ বছরের প্রাচীন এই বিদ্যালয়টির সঙ্গে উপেন্দ্রকিশোর, সুকুমার এবং সত্যজিৎ রায়ের মত মহৎ বাঙালি প্রতিভাদের উত্তরাধিকার যুক্ত। স্কুলটির ঠিকানা – ১০০A গড়পার রোড, রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজের নিকটে। এখানেই এখনও চালু আছে একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাথমিক মুদ্রণ কেন্দ্র, যা বাংলার গৌরবময় অতীতের স্মৃতি বহন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে Athenæum Institution-এর সভাপতি ডঃ অশোক রায়, যিনি LIONS CLUB OF Kolkata MAGNATES-এর ১ম ভাইস প্রেসিডেন্টও বটে, এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। ছাত্র, শিক্ষক এবং সমাজের নানা ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই আয়োজনে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম মূল আকর্ষণ ছিল স্বাস্থ্যসচেতনতা বিষয়ক সেমিনার, যেখানে ডঃ অশোক রায় ও ডঃ রোমি রায় শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক চাপমুক্তির উদ্দেশ্যে একটি প্রেরণামূলক আলোচনা ও ইন্টারঅ্যাকশন সেশনও অনুষ্ঠিত হয়।
১০০ জন শিক্ষার্থীকে এই উপলক্ষে সার্টিফিকেট, জলখাবার ও উপহার দেওয়া হয়।
অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক শুভেন্দু ও সহশিক্ষকদের ‘সরস্বতী বন্দনা সম্মান’ প্রদান করেন HELLO Kolkata (3D News, Events, PR & Films) এবং LCSF।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন LIONS CLUB OF KOLKATA MAGNATES ও ROTARY CLUB OF KASBA-এর সদস্যরা, যারা ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের মাঝে মেডিকেল কিট, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও উপহার বিতরণ করেন।
অ্যাডভোকেট মিতা ব্যানার্জি (পদ্মশ্রী ২০২৫ মনোনীত) দেশপ্রেমমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে উপস্থিত সকলকে উদ্দীপ্ত করেন।
অনুপ্রেরণামূলক বক্তাদের তালিকায় ছিলেন ঝর্ণা ভট্টাচার্য, সঙ্গীতা দাস, ডঃ শানোলি রায়, ডঃ সঙ্গীতা ঝা, ঋতুপর্ণা সেন, অজিত ভার্মা, সপ্তর্ষি বিশ্বাস, ইন্দ্রাণী সরকার, গৌতম সেন, পিয়ালী ঘোষ, রেশমা নরওয়ানি এবং ঐন্দ্রিলা চ্যাটার্নি।
এই উদ্যোগে সহ-সংগঠক হিসেবে যুক্ত ছিল –
LIONS CLUB OF KOLKATA MAGNATES, HELLO KOLKATA, ROTARY CLUB OF KASBA,
সহযোগী সংস্থাগুলি –
KHOOSI (ডা. সঙ্গীতা ঝা), লিটল হ্যান্ডস লিটল হেল্প (ঋতুপর্ণা সেন), S.P.R.O.U.T., স্বর্ণিম ফাউন্ডেশন এবং PROLEARNZ (ডঃ শানালি রায়)।
উদ্যোক্তা আশীষ বসাক বলেন, “ব্যাক টু স্কুল শুধু একটি ইভেন্ট নয়, এটি একটি আবেগ। এই ধরণের উদ্যোগ ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে আত্মিক সম্পর্ক গড়তে সহায়তা করে। আমরা সেই স্মৃতিময় স্কুল জীবনের ছোঁয়া আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি, যা সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”


















